ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ৫ আশ্বিন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পত্রিকার প্রকাশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে রাজবাড়ীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দৈনিক রাজবাড়ী কন্ঠের প্রকাশকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান পাইকগাছায় দু’পক্ষের বিরোধ ঠেকাতে তৃতীয় পক্ষের ৩জন গুরুতর জখম রাজবাড়ীতে শিক্ষকদের লাঞ্চিতের প্রতিবাদে মানববন্ধন গোয়ালন্দ পাক দরবার শরিফ নিয়ে গুজব ছড়ানো সংবাদের প্রতিবাদ প্রথমবারের মতো সেনাসদর পরিদর্শন করলেন প্রধান উপদেষ্টা ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সংসদ থেকে যত টাকা খোয়া গেছে আশুলিয়ায় ধর্ষকের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবীতে ভুক্তভোগী নারীর সংবাদ সম্মেলন দৌলতদিয়া- পাটুরিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলার ডুবির ঘটনায় ৭ জেলে নিখোঁজ 

দিনাজপুরের হিলিতে ইরি-বোরোর ধানে, চাষির স্বপ্ন ভাসে

মোঃ ওয়াজ কুরনী-দিনাজপুর:
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪ ৭১ বার পঠিত

দিনাজপুরের হিলিতে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করছেন চাষিরা। মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ। চারদিকে শুধু সবুজ আর সবুজ। কৃষকেরা বলছেন, এখন পর্যন্ত ফসলের অবস্থা ভালো আছে। তবে কোনো মাঠে পোকা দেখা দিয়েছে। কৃষি বিভাগ ‘ফুতি’ পোকা দমনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। আর কৃষি বিভাগ বলছে, কোনো কোনো মাঠে ‘ফুতি’ পোকার দেখা দিয়েছে। তবে ‘ফুতি’ পোকা তেমন ক্ষতি করতে পারবে না। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) চাষি ও কৃষি বিভাগ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। 

উপজেলার বৈগ্রামের কৃষক মো. একরামুল হক বলেন, ‘আমি এই বছর  নিজের ৩ বিঘা ও বর্গা নিয়ে আরও ২ বিঘা জমিতে ইরি-বোরো আবাদ করেছি। এখনো মাঠের অবস্থা ভালো আছে। গত বছর ভালো ফলন পেয়েছিলাম। আশা করছি, বড় ধরনের প্রাকৃতিক কোনো বিপর্যয় দেখা না দিলে ফলন ভালো হবে।’ 

ছাতনী গ্রামের কৃষক আব্দুল আজিজ বলেন, ‘আমি প্রতিবছর ইরি-বোরো মৌসুম নিজের ৫ থেকে ৭ বিঘা জমিতে ইরি-বোরো আবাদ করি। এবারও করেছি। কোনো কোনো জমিতে ধানের শীষ বের হয়েছে। আবার কোনো জমিতে শীষ বের হতে  আরও সপ্তাহ খানেক সময় লাগতে পারে।’

আব্দুল আজিজ আরও বলেন, ‘‘এবার অন্য কোনো পোকা তেমন একটা দেখা দেয়নি। তবে কিছু জমিতে ‘ফুতি’ পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। ‘ফুতি’ পোকা দমনে কৃষি বিভাগের পরামর্শে নিয়মিত জমিতে ওষুধ স্প্রে করছি। আশা করছি ফলন ভালো হবে।’ 

হাকিমপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মোছা. আরজেনা বেগম বলেন, ‘‘চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে হাকিমপুর উপজেলার ১ পৌরসভা ও ৩ ইউনিয়নে ইরি-বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ হাজার ৬১৫ হেক্টর জম। আর আবাদ হয়েছে ৭ হাজার ৬১৬ হেক্টর জমিতে। কিছু কিছু জমিতে ‘ফুতি’ পোকা দেখা দিয়েছে। কৃষি বিভাগ ‘ফুতি’ পোকাসহ যে-কোনো রোগবালাই দমনে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। তাই ‘ফুতি’ পোকা তেমন ক্ষতি করতে পারবে  না।’’

 আরজেনা বেগম আরও বলেন, ‘আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।’

দিনাজপুরের হিলিতে ইরি-বোরোর ধানে, চাষির স্বপ্ন ভাসে

আপডেট সময় : ০১:১৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪

দিনাজপুরের হিলিতে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করছেন চাষিরা। মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ। চারদিকে শুধু সবুজ আর সবুজ। কৃষকেরা বলছেন, এখন পর্যন্ত ফসলের অবস্থা ভালো আছে। তবে কোনো মাঠে পোকা দেখা দিয়েছে। কৃষি বিভাগ ‘ফুতি’ পোকা দমনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। আর কৃষি বিভাগ বলছে, কোনো কোনো মাঠে ‘ফুতি’ পোকার দেখা দিয়েছে। তবে ‘ফুতি’ পোকা তেমন ক্ষতি করতে পারবে না। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) চাষি ও কৃষি বিভাগ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। 

উপজেলার বৈগ্রামের কৃষক মো. একরামুল হক বলেন, ‘আমি এই বছর  নিজের ৩ বিঘা ও বর্গা নিয়ে আরও ২ বিঘা জমিতে ইরি-বোরো আবাদ করেছি। এখনো মাঠের অবস্থা ভালো আছে। গত বছর ভালো ফলন পেয়েছিলাম। আশা করছি, বড় ধরনের প্রাকৃতিক কোনো বিপর্যয় দেখা না দিলে ফলন ভালো হবে।’ 

ছাতনী গ্রামের কৃষক আব্দুল আজিজ বলেন, ‘আমি প্রতিবছর ইরি-বোরো মৌসুম নিজের ৫ থেকে ৭ বিঘা জমিতে ইরি-বোরো আবাদ করি। এবারও করেছি। কোনো কোনো জমিতে ধানের শীষ বের হয়েছে। আবার কোনো জমিতে শীষ বের হতে  আরও সপ্তাহ খানেক সময় লাগতে পারে।’

আব্দুল আজিজ আরও বলেন, ‘‘এবার অন্য কোনো পোকা তেমন একটা দেখা দেয়নি। তবে কিছু জমিতে ‘ফুতি’ পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। ‘ফুতি’ পোকা দমনে কৃষি বিভাগের পরামর্শে নিয়মিত জমিতে ওষুধ স্প্রে করছি। আশা করছি ফলন ভালো হবে।’ 

হাকিমপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মোছা. আরজেনা বেগম বলেন, ‘‘চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে হাকিমপুর উপজেলার ১ পৌরসভা ও ৩ ইউনিয়নে ইরি-বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ হাজার ৬১৫ হেক্টর জম। আর আবাদ হয়েছে ৭ হাজার ৬১৬ হেক্টর জমিতে। কিছু কিছু জমিতে ‘ফুতি’ পোকা দেখা দিয়েছে। কৃষি বিভাগ ‘ফুতি’ পোকাসহ যে-কোনো রোগবালাই দমনে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। তাই ‘ফুতি’ পোকা তেমন ক্ষতি করতে পারবে  না।’’

 আরজেনা বেগম আরও বলেন, ‘আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।’